• ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৮ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Infection

রাজ্য

বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সংক্রমিত ১,৭৩৯

একনাগারে বেড়েই চলেছে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় সংক্রমণ হয়েছে ১,৭৩৯ জনের। গত কয়েক দিন পর পর বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়নি। গতকাল আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,৫২৪। বুধবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,৪২৪। মঙ্গলবার করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৫৪।এদিন করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৫৬ জন। একদিনে করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১১,৮১১ জনের। পজিটিভি রেট ১৪.৭২শতাংশ। কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩২৭ জন। হোম আইশোলেশনের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭,৯৫০ জন।

জুলাই ০২, ২০২২
রাজ্য

বাংলায় ঝড়ের বেগে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সংক্রমিত দেড় হাজার ছুঁইছুই

গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে। আক্রান্তের সংখ্য়া এখন দেড় হাজার ছুঁইছুঁই। আতঙ্ক ক্রমশ তাড়া করে বেড়াচ্ছে। দীর্ঘ দিন পর করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এরাজ্যে হাজার ছাড়িয়ে গেল। গতকাল কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৫৪, করোনায় মৃত্যু হয়নি। এদিন করোনা সংক্রমণের শিকার ১,৪২৪। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃতের সংখ্যা দুই। এদিন ২৯৮ জন সুস্থ আছেন। ১০ দিন আগে ২০ জুন এই রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২২৪। তারপর থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও বাড়ছে। এদিকে মানুষের মধ্যে এখন মাস্ক পরার প্রবণতা নেই। দেশেও ব্যাপক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

জুন ২৯, ২০২২
দেশ

দেশে ফের কমল করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু বাড়ল সামান্য

ফের কমল সংক্রমণের হার। ভারতে দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা নিরন্তর কমছে, এই মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে সংক্ৰমিতের সংখ্যা। বিগত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুর সংখ্যা অবশ্য খানিকটা বেড়েছে। সোমবার সারাদিনে ভারতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫৬৮ জন। বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে করোনা-আক্রান্ত ৯৭ জন রোগীর। ভারতে দৈনিক সংক্রমণের হার এই মুহূর্তে ০.৩৭ শতাংশ।বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা কমে ৩,৩৯,১৭-এ পৌঁছেছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে ২,২৫১ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ০.০৮ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে বিগত ২৪ ঘন্টায় করোনার টিকা পেয়েছেন ১৯ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪২৩ জন প্রাপক, ফলে ভারতে মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত ১,৮০,৪০,২৮,৮৯১ জনকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ৯৭ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৫,১৫,৯৭৪ জন (১.২০ শতাংশ)। সোমবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪,৭২২ জন। মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪,২৪,৪৬,১৭১ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৮.৭২ শতাংশ। নতুন করে ২,৫৬৮ জন সংক্রমিত হওয়ার পর ভারতে মোট কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৪,২৯,৯৬,১৩২ জন।

মার্চ ১৫, ২০২২
বিদেশ

চিনে ফের লকডাউনে বন্দি দেড় কোটিরও বেশি বাসিন্দা

কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না করোনা। তবে তুলনামূলকভাবে বিশ্বজুড়েই করোনার প্রকোপ এখন অনেকটাই কম। তবে স্বস্তি নেই চিনের বাসিন্দাদের। সেখানে ফের একবার করোনা সংক্রমণ শুরু হতেই, প্রশাসনের তরফে লকডাউন ঘোষণা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহেই চিনের চাংচুন শহরে লকডাউন জারি করা হয়েছিল। এবার লকডাউন ঘোষণা করা হল হাইটেক শহর শেনজেন-এও। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিগত দুই বছরে সবথেকে ভয়ঙ্করভাবে এবারই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণ রুখতেই তাই একের পর এক শহরে লকডাউন জারি করা হচ্ছে।করোনা সংক্রমণের উৎপত্তি হয়েছিল চিন থেকেই। তাই ভাইরাসের ভয়াবহতা কতটা হতে পারে, তার আন্দাজ ভালভাবেই রয়েছে চিনের। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রথম মাস হিমশিম খেলেও, হাল সামলিয়ে নেয় প্রশাসন। এক সপ্তাহের মধ্যেই তৈরি করে দেওয়া হয় হাসপাতাল। সেই সময়ই তৈরি করা হয় জিরো কোভিড নীতি। শহরে ৫-১০ জন করোনা আক্রান্ত হলেও, গোটা শহরেই লকডাউন জারি করে দেওয়া হয়।দেড় কোটিরও বেশি বাসিন্দার শেনজ়েন শহরে সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করা হয়েছে। সেখানে সমস্ত গ্রামের সীমানা আটকে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাস, মেট্রো। রবিবারই চিনা সংবাদপত্রে জানানো হয়েছে যে সোমবার থেকে সমস্ত গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, শহরের সমস্ত বাসিন্দারাই যেন বাড়ি থেকে কাজ করেন এবং অত্যাবশ্যকীয় কোনও পণ্য কেনার জন্যই বাড়ি থেকে বের হন। বাইরে থেকে যারা শেনজ়েনে আসছেন, তাদের সকলকেই নেগেটিভ নিউক্লেইক অ্যাসিড রিপোর্ট জমা দিতে হবে। রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টার বেশি পুরনো হতে পারবে না। এছাড়া নতুন সপ্তাহেই শহরজুড়ে ফের তিন দফায় করোনা পরীক্ষা করানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২২
দেশ

দেশে আরও কমল করোনা সংক্রমণের হার

দেশে আরও কমল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জারি করা দৈনিক করোনা বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৪০৯ জন, যা সোমবারের তুলনায় ২০ শতাংশ কম। একই সঙ্গে কমেছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। মঙ্গলবার দেশে সংক্রমণের হার ২.২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দৈনিক পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৮২ হাজার ৮১৭ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এর ফলে মোট চার কোটি ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার ৪৫৮ জন করোনা মুক্ত হলেন। সোমবার দেশে ১২ লক্ষ ২৯ হাজার ৫৩৬টি করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ লক্ষেরও বেশি করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। দেশে কমেছে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে কেরলেই মৃত্যু হয়েছে ১৭৮ জনের।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে করোনা ভাইরাসের একাধিক নয়া স্ট্রেন হানা দিয়েছে বিশ্বের সর্বত্র। বাদ পড়েনি ভারতও। তার বিরুদ্ধে লড়তে জোরকদমে দেশে চলছে টিকাকরণ। এখনও পর্যন্ত মোট ১৭৩ লক্ষের বেশি মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েছেন বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে। সংক্রমণ কমতে থাকায় বিভিন্ন রাজ্যে ছোটদের স্কুলও খুলে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাতেও বুধবার থেকে তা খুলে দেওয়া হবে। তবে কড়া কোভিডবিধি মেনেই চলবে ক্লাস, সে বিষয়ে সতর্ক সব রাজ্যই।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

ফের সামান্য বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত ৭১ হাজারের বেশি

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকেই কমতে শুরু করেছে দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। তবে বুধবারই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ফের সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৭১ হাজারের গণ্ডি পার করেছে। মঙ্গলবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার ৫৯৭। অন্যদিকে, দেশে একদিনেই ১২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমণে। এই নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৫ হাজার ২৭৯-এ।লাখের গণ্ডির নীচে থাকলেও, দেশে সামান্য বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৩৬৫ জন, যা গতকালের তুলনায় ৫.৬ শতাংশ বেশি। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ১০ হাজার ৯৭৬-এ। দেশের সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নীচে নেমে দাঁড়িয়েছে।এদিকে, দেশের করোনা সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কমায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে দেশের সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৮২৮। দেশের মোট আক্রান্তের ২.১১ শতাংশ সক্রিয় রোগী। একইসঙ্গে কমেছে সংক্রমণের হারও। বর্তমানে দেশে সংক্রমণের হার ৪.৫৪ শতাংশ। সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার ৭.৫৭ শতাংশ।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের ৫টি রাজ্য থেকেই দৈনিক সংক্রমণের ৬৭.২১ শতাংশের খোঁজ মিলছে। এরমধ্যে শীর্ষে রয়েছে কেরল, সেখানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৭১। দেশের মোট সংক্রমণের ৪১.৩ শতাংশই কেরল থেকে খোঁজ মিলছে। এরপরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র, এই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬১০৭ জন। এরপরে রয়েছে তামিলনাড়ু, সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫১৯। কর্নাটক ও রাজস্থানেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৪৫২ এবং ৩৪১১।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
দেশ

আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও, চিন্তা বাড়াচ্ছে সংক্রমণের হারই!

সামান্য স্বস্তি মিলছে দেশের করোনা সংক্রমণে। টানা তিনদিন ধরে তিন লক্ষের নীচেই রইল আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮৬ হাজার জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনার কারণে দেশে মোট ৫৭৩ জন মারা গিয়েছেন যা বুধবারের তুলনায় কম। বুধবার করোনা আক্রান্ত হয়ে ৬৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে চিন্তা বাড়াচ্ছে সংক্রমণের হার। গতকালই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার ছিল ১৬.১০ শতাংশ, আজ তা এক ধাক্কায় বেড়ে ১৯.৫৯ শতাংশে পৌঁছেছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮৬ হাজার ৩৮৪ জন। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ কোটি ৩ হাজারে। বিশ্বে সংক্রমণের নিরিখে আমেরিকার পরই দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে ভারত। সংক্রমণের হার, অর্থাৎ প্রতি ১০০টি করোনা পরীক্ষায় কতজনের রিপোর্ট পজেটিভ আসছে, তার হার এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৫৯ শতাংশে। বুধবারই এই হার ছিল ১৬.১০ শতাংশ। সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার ১৭.৭৫ শতাংশে রয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
দেশ

সংক্রমণ কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক সংক্রমণ, আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, একদিনে মৃত্যু ৪৩৯ জনের

ভারতে অনেকটাই কমল দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এখনও দৈনিক-সংক্রমণ থাকল তিন লক্ষের উপরই। বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। রবিবার সারাদিনে ভারতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ০৬ হাজার ০৬৪ জন, এই সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় ২৭ হাজার ৪৬৯ কম। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে করোনা-আক্রান্ত ৪৩৯ জন রোগীর, মৃত্যুর সংখ্যাও আগের দিনের তুলনায় কমেছে। দৈনিক সংক্রমণের হার এই মুহূর্তে ২০.৭৫ শতাংশ।বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২,২৪,৯৩,৩৫-এ পৌঁছেছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৬২,১৩০ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ৫.৬৯ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে বিগত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসের টিকা পেয়েছেন মাত্র ২৭ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৬৪ জন প্রাপক, ফলে ভারতে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ১,৬২,২৬,০৭,৫১৬ জনকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ৪৩৯ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,৮৯,৮৪৮ জন।রবিবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২,৪৩,৪৯৫ জন। সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,৬৮,০৪,১৪৫ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৩.০৭ শতাংশ। নতুন করে ৩,০৬,০৬৪ জন সংক্রমিত হওয়ার পর ভারতে মোট কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৫,৪৩,৩২৮ জন।তৃতীয় ঢেউয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ১০ হাজার পার করেছে। দেশের ২৯ রাজ্যে থাবা বসিয়েছে ওমিক্রন। এদিকে রাজ্যের বাকি জেলায় স্কুল খুললেও মুম্বই পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে স্কুল খোলার নির্দেশ দেওয়া হলেও, আপাতত মুম্বইয়ে ৩১ জানুয়ারি অবধি প্রথম থেকে নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলে আসার উপর নিষেধাজ্ঞাই জারি থাকবে। নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্য তথা গোটা দেশজুড়েই বেড়েছিল করোনা সংক্রমণ। সতর্কতাবশে সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ করা হয়েছিল স্কুলও। তবে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ কিছুটা কমতেই, স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। সোমবার থেকেই প্রথম থেকে নবম শ্রেণির অফলাইন পঠনপাঠন শুরু হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
দেশ

দেশে একদিনেই আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, ভাঙল ৮ মাসের রেকর্ড!

দৈনিক সংক্রমণে দীর্ঘ আট মাসের রেকর্ড ভাঙল। দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৩ লক্ষের গণ্ডি। বিগত কয়েক দিন ধরে দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার কিছুটা নিম্নমুখী হলেও, তা হঠাৎ করে ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩২ জন। এই নিয়ে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়াল ১৯ লক্ষ ২৪ হাজার ৫১-এ। দেশে মোট ,করোনা আক্রান্তের ৪.৮৩ শতাংশই সক্রিয় রোগী। একদিনেই ৪৯১ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬৯৩-এ।দেশের এই উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের জন্য চিকিৎসক, গবেষকরা করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনকেই দায়ী করেছেন। বর্তমানে দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৮৭-এ। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রেই ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক। গত ২৪ ঘণ্টাতেই সে রাজ্যে ২১৪ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, এই নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৬০-এ পৌঁছেছে। সংক্রমণের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, রাজ্যেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১৬০০-র গণ্ডি পার করেছে।আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার ফলে কিছুটা কমেছে সুস্থতার হারও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৯৯০ জন। এই নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৫৮ লক্ষ ৭ হাজার ২৯-এ। সুস্থতার হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৩.৬৯ শতাংশে। অন্য়দিকে, বর্তমানে দেশে সংক্রমণের হার ১৬.৪১ শতাংশে পৌঁছেছে, সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.০৬ শতাংশে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ, একদিনে হাজারেরও বেশি আক্রান্ত, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের

রাজ্যে ফের কিছুটা বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ করোনা বুলটিন অনুযায়ী, দৈনিক সংক্রমণ বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৪৪৭। মঙ্গলবার এই পরিসংখ্যান ছিল ১০ হাজার ৪৩০। অর্থাৎ, শেষ ২৪ ঘণ্টায় প্রায় এক হাজারেরও বেশি বেড়েছে করোনার সংক্রমণ। সেই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুও। বুধবারের করোনা বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। জেলাওয়াড়ি তালিকায় মৃতদের মধ্যে ১৪ জনই কলকাতার।সংক্রমণের নিরীখেও কলকাতায় সংক্রমণ সর্বোচ্চ। শেষ ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় দুই হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরই উদ্বেগজনক সংক্রমণ পরিস্থিতি উত্তর ২৪ পরগনায়। সেখানে ১ হাজার ৭৯৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে রাজ্যে পজিটিভিটি রেট কিছুটা কমেছে আগের তুলনায়। রাজ্যে বর্তমানে পজিটিভিটি রেট ১৬.৯৮ শতাংশ। শেষ ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৭ হাজার ৪০৪ জনের। সেই সঙ্গে সুস্থও হয়ে উঠেছেন অনেকে। সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। রাজ্যে বর্তমানে সুস্থতার হার ৯১.০৯ শতাংশ।এদিকে স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ২,১৫৪ জন কলকাতার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এদিন ফের প্রথমে ওই জেলা। আগের দিনের তুলনায় সামান্য হলেও কমেছে সংক্রমণ। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে আক্রান্ত সেখানকার ১,৭৯৮ জন। আগেরদিন সংক্রমণ ছিল এর থেকে সামান্য কম। নিম্নমুখী কোভিড গ্রাফ স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি দিচ্ছে ওই জেলার বাসিন্দাদের।দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে ফের তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। একদিনে ওই জেলায় নতুন করে সংক্রমিত ৮৮৮ জন। চতুর্থ স্থানে নদিয়া। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ৬৮১ জন। এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের কম বেশি সব জেলা থেকেই নতুন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯,২৮, ৯৬১। একদিনে করোনাকে পরাস্ত করে ঘরে ফিরেছেন ১৫, ৪১৮ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ১৭, ৫৭, ০৬৬। গত ২৪ ঘণ্টায় পজিটিভিটি রেট ১৬.৯৮ শতাংশ। বর্তমানে রাজ্যে সেফ হোমের সংখ্যা ২০০। এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য। বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হচ্ছে কনটেনমেন্ট জোন।অন্যদিকে, ভারতে ফের বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮২ হাজার জন। মঙ্গলবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ১৮ জন। বুধবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ১৮ শতাংশ। দৈনিক সংক্রমণের হার ১৪.৪৩ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫.১৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ওমিক্রন রূপে আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৯৬১ জন। মঙ্গলবারের তুলনায় ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৪৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩১০ জন। এই সময়ের মধ্যে দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৮ লক্ষ ৬৯ হাজার। যা মঙ্গলবারের চেয়ে প্রায় ২ লক্ষ বেশি।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
কলকাতা

ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্টের সংখ্যা

করোনা সংক্রমণ বাড়তেই ফের চিন্তার ভাঁজ। কলকাতায় ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। এ বার, ২৯ থেকে একধাক্কায় ৪৪ টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন নতুন করে ঘোষণা করল কলকাতা পুরসভা। প্রায় সপ্তাহখানেক আগেই কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা কমানো হয়েছিল। ফের বাড়িয়ে দেওয়া হল মাইক্রোকনটেনমেন্ট জোন।সূত্রের খবর, নবান্নের চিন্তা কোনও বস্তি এলাকা নয়। বরং, নবান্নের চিন্তার কারণ বড় বড় আবাসনগুলি। কারণ সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই গিয়ে দেখা গিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না আবাসিকরা।নতুন মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের তালিকায় রয়েছে একাধিক বরো। ৪ নম্বর বরোয় ৪ টি, ৭ নম্বর বরোতে ৪ টি, ৯ নম্বর বরোতে ২ টি, ১০ নম্বর বরোতে ১০ টি, ১২ নম্বর বরোয় ১১ টি, ১৪ নম্বর বরোয় ৩ টি, ১৬ নম্বর বরোতে ৫ টি, ৮ নম্বর বরোতে ১ টি এবং ৩ নম্বর বরোতে ৪ টি স্থান মাইক্রো কনটেনমেন্ট জ়োন বলে চিহ্নিত হয়েছে। সেই তালিকার মধ্যে রয়েছে, একাধিক বহুতল আবাসনও।স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলছেন, আবাসনগুলিতেই সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হচ্ছে। এই মুহূর্তে আবাসনগুলিই উৎকন্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের। এরই মধ্যে নবান্নে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আবাসনগুলিতে সংক্রমণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিউটাউনের আবাসনগুলির ক্ষেত্রে ফোরাম ও কমিটিগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করার কথা ভাবা হচ্ছে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি যাতে তাঁরা মেনে চলেন, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হবে তাঁদের।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্ত প্রায় আড়াই লাখ!

ফের একবার এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০। অর্থাৎ একদিনেই ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে দৈনিক সংক্রমণে। বর্তমানে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৬৩ লাখে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪১৭ জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০, অর্থাৎ একদিনেই ৫০ হাজারের বেশি আক্রান্তের সংখ্যায় বৃদ্ধি হয়েছে। বিগত আট মাস বাদে এই প্রথম দৈনিক সংক্রমণ দুই লাখের গণ্ডি পার করল। দেশে বেড়েছে দৈনিক মৃতের সংখ্যাও, গত ২৪ ঘণ্টাতেই করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩৮০ জনের।গত কয়েক দিন ধরেই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ ছাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা পৌঁছে গিয়েছে ১৩.১১ শতাংশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য জানাচ্ছে, গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের ২৯টি রাজ্যের অন্তত ১২০টি জেলায় সংক্রমণের হার রয়েছে ১০ শতাংশের বেশি। সেই সঙ্গে বাড়ছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪৮৮ জন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
কলকাতা

উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে অভিজাত আবাসনগুলিই, স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট পেশ নবান্নে

শহরের বড় আবাসনগুলিতেই বেশি করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এ নিয়ে একটি রিপোর্টও জমা পড়েছে নবান্নে। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে আরবানা, স্বর্ণমণি, শালবনি, এবং নিউটাউনের একাধিক আবাসনেও করোনা সংক্রমণের প্রকোপ বেশি। এই সব আবাসনে করোনা সংক্রমণ কীভাবে ঠেকানো যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ও নবান্নের কর্তাব্যক্তিরা। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তের নবান্নের চিন্তার কারণ কোনও বস্তি এলাকা নয়, বড় বড় আবাসনও। কারণ সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই গিয়ে দেখা গিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না আবাসিকরা। অরক্ষিত মুখের ভিড় সর্বত্র। কলকাতা পুরসভা ও নিউটাউনের ক্ষেত্রে হাউজিং ডিপার্টমেন্টে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে সংক্রমণ ঠেকানোর পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলছেন, আবাসনগুলিতেই সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হচ্ছে। এই মুহূর্তে আবাসনগুলিই উৎকন্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের। এরই মধ্যে নবান্নে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আবাসনগুলিতে সংক্রমণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিউটাউনের আবাসনগুলির ক্ষেত্রে ফোরাম ও কমিটিগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করার কথা ভাবা হচ্ছে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি যাতে তাঁরা মেনে চলেন, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হবে তাঁদের।কমিটিগুলিকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঝুপড়ি অঞ্চল ঘিঞ্জি, উল্টোদিকে আবাসনগুলো অনেকটাই খোলামেলা। তা সত্ত্বেও কেন আবাসনগুলিতে হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? অভিজাত আবাসনগুলিতে করোনা ছড়ানোর অন্যতম কারণ, বর্ষবরণের উৎসব-পার্টি-হুল্লোড়, আর লিফটের বহুল ব্যবহার।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Kamarpukur Math: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কামারপুকুর মঠ

ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণের দরুণ অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল কামারপুকুর মঠ ও মিশন। পুণ্যার্থীদের প্রবেশ বন্ধের নোটিস জারি করেছে মঠ ও মিশন কর্তৃপক্ষ। আজ থেকেই এই নোটিস কার্যকর হচ্ছে। মঠের এই বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে পরিস্থিতি অনুকূল হলে দর্শনের দিন জানানো হবে। যত দিন না পর্যন্ত পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আসছে ততদিন পর্যন্ত মঠ বন্ধই থাকছে।উল্লেখ্য যে করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় গত ২৪ জুলাই থেকে মঠ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের গুরুপূর্ণিমার জন্য একদিন খুলে দেওয়া হয়েছিল মঠ। পরে ১৯ অগষ্ট থেকে ফের মঠের দরজা খুলে দেওয়া হয়। আবার সোমবার নতুন করে বন্ধ করে দেওয়া হল মঠ।উল্লেখ্য নতুন বছরের শুরুতে ভক্তদের ভিড় বেশি হতে পারে, সেকথা মাথায় রেখে ১-৪ জানুয়ারি বন্ধ ছিল বেলুড় মঠ। কথা ছিল ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৩-৫ টা পর্যন্ত ফের নিয়ম মেনে খুলবে বেলুড় মঠ। তবে তার আগে গত ২ জানুয়ারি বেলুড় মঠ বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানায় কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত। কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষও সংক্রমণ রুখতে কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্দির বন্ধ থাকছে না। দেবী দর্শনেও বাধা নেই। কিন্তু ভিতরে ঢুকে পুজো দেওয়া কিংবা গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না কেউ। বাইরে থেকেই দর্শন সেরে ফেলতে হবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

Covid: দেশে এক লক্ষের গণ্ডি পেরলো দৈনিক করোনা সংক্রমণ

কেবল রাজ্যে নয়, দেশেও হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একলাফে দেশে বাড়ল করোনা গ্রাফ। দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৭ হাজার ১০০ জন। একলাফে দেশে দৈনিক সংক্রমণ বেড়েছে ২৮.০২ শতাংশ। পিছিয়ে নেই রাজ্যও। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৪২১, বুধবার যে সংখ্যাটা ছিল ১৪ হাজার ২২। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। বুধবারের তুলনায় পজিটিভিটি রেট বেড়েছে কিছুটা। বুধবার যে হার ছিল ২৩.১৭ শতাংশ, বৃহস্পতিবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ২৪.৭১ শতাংশ। পাশাপাশি বাড়ছে ওমিক্রন আতঙ্কও। একদিনে দেশে ওমিক্রন আক্রান্ত ৩ হাজার ৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩০২ জনের।শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের করোনা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১,১৭,১০০ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা বৃহস্পতিবারের তুলনায় ২৮.৮ শতাংশ বেশি। এর আগে গত বছরের জুন মাসে দৈনিক এক লক্ষ আক্রান্ত হওয়ার গন্ডি পার করেছিল ভারত। শুক্রবারের নতুন করোনা আক্রান্তের হিসেব বলছে, দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩,৫২,২৬,৩৮৬।সব থেকে বেশি আক্রান্ত পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে গত একদিনে মোট ৩৬,২৬৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,৪২১ জন। পশ্চিমবঙ্গের পরে আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রয়েছে যথাক্রমে দিল্লি (১৫,০৯৭), তামিলনাড়ু (৬,৯৮৩) এবং কর্ণাটক (৫,০৩১)।একই সঙ্গে দেশে হু-হু করে বাড়ছে করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে বর্তমানে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৩,০০৭ জন। তবে তাঁদের মধ্যে ১,১৯৯ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ওমিক্রন আক্রান্তের দিক থেকেও শীর্ষে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে মোট ৮৭৬ জন করোনার নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পরেই রয়েছে দিল্লি। দিল্লিতে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬৫।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Corona: গত ১০ দিনে সংক্রমণে বিরাট লাফ করোনার

গত ১০ দিনে রাজ্যে ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে করোনা সংক্রমণ। করোনার দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় বেড়ে ১৪ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে বুধবার।মঙ্গলবার এই সংখ্যাটা ছিল ৯ হাজারের কিছু বেশি। একদিনে প্রায় পাঁচ হাজার বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণ। আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। আক্রান্তদের মধ্যে ৬ হাজারেরও বেশি কলকাতায়। এরপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ২৪ পরগনায় আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়েছে ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। গত ২৭ ডিসেম্বর যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল পাঁচশোর দোরগোড়ায়, ১০ দিনে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৫ হাজারের কাছাকাছি। করোনাকে বশে আনতে ফের তৎপর হয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী ১৫ তারিখ পর্যন্ত রাজ্যে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। কিন্তু বিধিনিষেধের মধ্যেও আক্রান্তের পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজ্য

Corona: রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০

একদিকে যখন বাংলার চিকিৎসকেরা তৃতীয় ঢেউয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তখন বাংলায় বড়সড় লাফ দিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় বেড়ে ৯ হাজার পেরিয়ে গেল মঙ্গলবার। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নতুন আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ছুঁইছুঁই। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। কলকাতাতেই মৃতের সংখ্যা ৫।সোমবার স্বাস্থ্য দপ্তরের যে বুলেটিন প্রকাশ হয়, তাতে দেখা গিয়েছিল দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৬ হাজারের কিছু বেশি। সাধারণত রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় টেস্ট তুলনামূলকভাবে কম হয়। সম্ভবত সেই কারণেই শনিবার ও রবিবার আক্রান্তের সংখ্যায় খুব বেশি হেরফের হয়নি বলেই অনুমান করা হয়। আর মঙ্গলবার একলাফে সেই সংক্রমণ বাড়ল অনেকটাই। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, সাধারণ মানুষের সতর্কতার অভাবেই এই পরিস্থিতি। তারপরও অসতর্কতার ছবি দেখা যাচ্ছে বাসে-ট্রেনে সর্বত্র। তবে মঙ্গলবারের করোনার গ্রাফ বুঝিয়ে দিচ্ছে, এবার সত্যিই আরও বেশি সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্য গত সপ্তাহের মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) কলকাতায় দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৯১০। এক সপ্তাহে তা বাড়ল ১,১৪৬ শতাংশ। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন জানাচ্ছে মঙ্গলবার রাজধানী শহরে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংখ্যা ৪,৭৫৯। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় গত ৩ মে কলকাতায় দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা পৌঁছেছিল ৩,৯৯০-এ। তৃতীয় ঢেউয়ের অষ্টম দিনেই সেই রেকর্ড ভেঙে গেল।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
দেশ

Corona-Omicron: উৎসবের আনন্দে বেপরোয়া মনোভাবে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ৩৩ হাজার পার, দোসর ওমিক্রন

করোনা ও ওমিক্রন-কে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই বড়দিন থেকে বর্ষবরণ অবধি মেতে ছিল রাজ্য তথা দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশই। এবার তার ফলও মিলছে হাতেনাতে, একদিকে যেমন ব্যাপক হারে বাড়ছে দেশের করোনা সংক্রমণ, তেমনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৫০ জন, যা আগের দিনের তুলনায় ২২.৫ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ধীরে ধীরে দুই হাজারের দিকে এগোচ্ছে।বর্ষবরণের আনন্দে বিধিনিষেধের গেরো শিথিল হতেই, হাইজাম্প দিয়েছে করোনা। এক ধাক্কাতেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৩৩ হাজার ৭৫০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, এই নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৪৯ লক্ষ ২২ হাজার ৮৮২-তে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যাও। একদিনেই ১২৩ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৮১ হাজার ৮৯৩-তে।করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৭৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মেলায়, দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭০০-এ বেড়ে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে ৬৩৯ জন এখনও অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। রাজ্যের নিরিখে সর্বাধিক আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে মহারাষ্ট্র থেকেই, সেখানে বর্তমানে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫১০। এরপরই রয়েছে দিল্লি, সেখানে ৩৫১ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। কেরল (১৫৬), গুজরাত(১৩৬), তামিলনাড়ু (১২১), রাজস্থান (১২০)-এও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Covid 19: রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৬ হাজার, বাড়ছে উদ্বেগ

রাজ্যে আংশিক কোভিড বিধি ঘোষণার দিন লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। বাংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত ৬১৫৩, মৃত্যু হয়েছে ৮জনের। সংক্রমণের হার (১৫.৯৩%)। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিনই রাজ্যে একাধিক কোভিড বিধি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। ৩১৯৪ জন করোনায় আক্রান্ত। সাত দিন আগে কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০৪ জন। ৭ দিনে ১৫ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ। রাজধানী শহরে এমন সংক্রমণ বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন অভিজ্ঞ মহল। বড় দিনে পার্কস্ট্রিটের ভিড়, কলকাতায় মেয়রের শপথের ভিড় নিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। তাছাড়া মেলা, পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও এই মরসুমে মানুষের ঢল নেমেছিল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, একদিকে সরকারি উদাসীনতা অন্যদিকে সাধারণ মানুষের একাংশ করোনা বিধিকে কোনও তোয়াক্কা করছিল না। বরং কোভিড টিকা নিয়ে অনেকেই মাস্ক পরা ভুলে গিয়েছিলেন।এদিকে উত্তর ২৪ পরগনায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই কোভিড সংক্রমিত, ৯৯৪ জন। কলকাতার পাশের জেলা হাওড়ায় আক্রান্ত ৫৯৫। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৮০ এবং হুগলি ২১৫। রাজ্যের বাকি জেলাগুলিতেও দ্রুত বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। ক্রমশ আতঙ্ক বাড়ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

Omicro: ৫ দিনের ব্যবধানে বাংলায় করোনা পজিটিভ ১০ গুণের বেশি, লাফ দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ

এক সপ্তাহের মধ্যে কয়েক গুণ বেড়ে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বাংলায় লাফ দিয়ে বাড়ছে কোভিড পজিটিভ। ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৩৯। বছর শুরুর দিন স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান, রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা পজিটিভের সংখ্যা ৪ হাজার ৫১২ জন। ওই দিনের তুলনায় বৃদ্ধি ১০ গুনেরও বেশি। ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। তবে আক্রান্তের হিসাবে এখনও এগিয়ে আছে কলকাতা। রাজ্যে ওমিক্রনে সংক্রমিতের সংখ্যা এখন ১৫।রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লাখ ৪২ হাজার ৯৯৭ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬ লাখ ৯ হাজার ৯২৪ জন। রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থতার সংখ্যা ১ হাজার ৯১৩। করোনায় রাজ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৯ হাজার ৭৭৩ জন। গত ২৪ ঘন্টায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। মৃত্যু হার ১.২০ শতাংশ।তবে কলকাতায় করোনা পরিস্থিতি ভয়ানক আকার নিচ্ছে। এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। নিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে কোভিড সংক্রমিতের হার। মহানগরে ২৪ ঘন্টায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৩৯৮। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। উত্তর ২৪ পরগনা (আক্রান্ত ৬৮৮ জন, মৃত ২ জন), হাওড়া (আক্রান্ত ৩৪৪ জন, মৃত ২ জন), পশ্চিম বর্ধমান (আক্রান্ত ২৪১ জন, মৃত ২ জন), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (আক্রান্ত ১৯৮ জন, মৃত ১ জন), হুগলি (আক্রান্ত ১৬৫ জন)। করোনার বাড়বাড়ন্ত রুখতে ফের রাজ্যে কোভিড বিধি চালু হতে চলেছে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, যে ভাবে উৎসব, মেলা, ভোটের আয়োজন করা হচ্ছে তার কাছে এই পরিসংখ্যান নগন্য। সাবধানতা অবলম্বন না করলে এবার দ্বিতীয় ঢেউকে ছাপিয়ে যাবে রাজ্য।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

ছররা চালানোর অভিযোগে নতুন মোড়, অন্তর্তদন্তে যা জানা গেল তাতে বাড়ছে বিতর্ক

গত ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের সময় আন্দোলনকারীদের উপর ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রথমে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হলেও, কেন্দ্রীয় বাহিনীর অন্তর্তদন্তে এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই কর্মসূচিতে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী এবং যুব অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা সংসদের দিকে এগোতে গেলে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। সেই সময় লাঠিচার্জের পাশাপাশি ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় বহু মানুষ আহত হন। পরে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। আহতদের মধ্যে ছিলেন এক ছাত্র, এক কর্মজীবী যুবক এবং এক সাংবাদিক। বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীও আহত এক আন্দোলনকারীর ক্ষত প্রকাশ্যে দেখিয়ে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছেও জানতে চাওয়া হয়, ছররা গুলি চালানোর অনুমতি কে দিয়েছিলেন।এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর অন্তর্তদন্তে দাবি করা হয়েছে, সংসদ অভিযানের সময় কনৌট প্লেস এলাকায় মোতায়েন থাকা এক দ্রুত কর্মী বাহিনীর জওয়ান ছররা নিক্ষেপকারী অস্ত্র থেকে মোট সাত বার গুলি চালিয়েছিলেন। তদন্তে দাবি, এর মধ্যে পাঁচ বার গুলি ছোড়া হয় বিক্ষোভকারীদের দিকে এবং দুই বার রাস্তার দিকে। আরও দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট জওয়ান তাঁর ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের অনুমতি নিয়েই এই পদক্ষেপ করেছিলেন।জানা গিয়েছে, গত ২২ জুলাই সংসদ অভিযান চলাকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনী ও দ্রুত কর্মী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের তথ্য থেকেই এই দাবি সামনে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে।তবে এই ঘটনার বিষয়ে সরকারি স্তরে চূড়ান্ত তদন্ত বা আদালতের কোনও রায় এখনও প্রকাশিত হয়নি। তাই বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং অভিযোগগুলির সত্যতা সংশ্লিষ্ট তদন্তের মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

জুলাই ২৭, ২০২৬
দেশ

লাঠিচার্জ নিয়ে বড় বার্তা শীর্ষ আদালতের! আন্দোলনকারীদের অধিকার নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ

সোমবার শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এবং পুলিশের লাঠিচার্জ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করল দেশের শীর্ষ আদালত। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে শান্তিপূর্ণভাবে আইন মেনে প্রতিবাদ করার অধিকার দিয়েছে। তাই শুধু বিক্ষোভ হচ্ছে বলেই সেখানে লাঠিচার্জ করা যায় না।ছাত্র-যুবদের সংসদ চলো কর্মসূচির সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে দায়ের হওয়া একটি মামলার শুনানিতে এই পর্যবেক্ষণ করে শীর্ষ আদালত। আদালত জানিয়েছে, ওই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে।এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা। শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, যতক্ষণ আন্দোলন শান্তিপূর্ণ এবং আইন মেনে চলছে, ততক্ষণ শুধুমাত্র বিক্ষোভের কারণ দেখিয়ে বলপ্রয়োগ করা যায় না। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার সংবিধান স্বীকৃত এবং সেই অধিকার রক্ষা করা জরুরি।শুনানির সময় নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ ঘিরে পুলিশের আহত হওয়ার ঘটনাও উঠে আসে। সেই বিষয়টিও আলাদাভাবে বিবেচনা করতে রাজি হয়েছে শীর্ষ আদালত। আদালত জানিয়েছে, যদি পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ হয়ে থাকে, তাহলে সেই অভিযোগও তদন্ত করে দেখা হবে।সরকারের কাছেও একাধিক প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। আদালতের বক্তব্য, পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ যেমন খতিয়ে দেখা দরকার, তেমনই বিক্ষোভে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন, তাঁদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী কেন দেওয়া হয়নি, তারও ব্যাখ্যা দিতে হবে।শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব রাজ্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতি বা প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল হবে।

জুলাই ২৭, ২০২৬
কলকাতা

বড় স্বস্তি অতীন ঘোষের! হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত গ্রেফতার নয়, আদালতে কী ঘটল?

কলকাতা হাই কোর্টে বড় স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক অতীন ঘোষ। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মামলা বিচারাধীন থাকা পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। সোমবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে অতীন ঘোষের আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে কিছু কারণে সেই শুনানি পিছিয়ে যায়।শুনানি পিছিয়ে যাওয়ার পর বিচারপতি রাজ্যকে নির্দেশ দেন, মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থায় অতীন ঘোষের বিরুদ্ধে কোনও গ্রেফতারের পদক্ষেপ করা যাবে না। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, বহু ক্ষেত্রে দেখা যায় আদালতের দেওয়া সুরক্ষার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই দ্রুত গ্রেফতার করা হয়। তাই এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর দিকেই গুরুত্ব দেন তিনি।রাজ্যের পক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে পদক্ষেপ করা হবে। পাশাপাশি তিনি আশ্বাস দেন, মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় কোনও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। বিষয়টি পুলিশকেও জানিয়ে দেওয়া হবে।পরে অন্য একটি মামলার শুনানিতেও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ কেন আদালতের উপর যথেষ্ট আস্থা দেখাতে পারছে না। এর জবাবে রাজ্যের আইনজীবী জানান, যেসব মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং যেখানে অন্তর্বর্তী নির্দেশ বলবৎ রয়েছে, সেখানে পুলিশ যাতে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না করে, সেই বিষয়ে প্রশাসনকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হবে।উল্লেখ্য, জমি দুর্নীতি সংক্রান্ত একটি মামলায় আগাম জামিন চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অতীন ঘোষ। এই মামলায় অতীন ঘোষ এবং তাঁর কন্যা প্রিয়দর্শিনী ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। সেই তলবের বৈধতা নিয়েও উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। মামলার পরবর্তী শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।

জুলাই ২৭, ২০২৬
রাজ্য

টায়ার সারাইয়ের কর্মীর বাড়িতে হঠাৎ তল্লাশি, তারপর যা জানা গেল তাতেই স্তম্ভিত গোটা এলাকা

সোমবার সকালে দুর্গাপুরের নিউ স্টিল পার্ক এলাকায় হঠাৎ কয়েকটি সাদা গাড়ি এসে থামে। গাড়ি থেকে নেমে কয়েকজন আধিকারিক স্থানীয়দের কাছে গোলাম জামার বাড়ির খোঁজ জানতে চান। প্রথমে কেউ বুঝতে পারেননি তাঁরা তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক। পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ভিড় জমে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছান বহু মানুষ ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও।এরপর গোলাম জামার ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি শুরু করে তদন্তকারী সংস্থা। বাড়ির বাইরে মোতায়েন করা হয় নিরাপত্তা বাহিনী। তদন্তকারী দলের সঙ্গে একজন মহিলা আধিকারিকও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, প্রায় তিন বছর ধরে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ওই এলাকায় ভাড়া থাকতেন গোলাম জামা। তিনি অন্ডাল এলাকায় একটি টায়ার সারাইয়ের দোকানে কাজ করতেন। প্রতিবেশীদের কথায়, তিনি খুব বেশি মেলামেশা করতেন না। তবে এলাকাবাসীর দাবি, মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়ার কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। সেই যোগাযোগের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে বিদেশে পাঠানোর সঙ্গে গোলাম জামার যোগ থাকতে পারে। পাশাপাশি জাল পাসপোর্ট চক্রের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, জাল নথির সাহায্যে বিভিন্ন ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানো হত এবং সেখানে তাঁদের নাশকতামূলক কাজে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল।এর আগে একই মামলায় ছত্তীসগঢ় থেকে দুই জনকে গ্রেফতার করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই তদন্তেই গোলাম জামার নাম সামনে আসে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। তদন্তকারীদের দাবি, বেশ কিছু দিন ধরেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছিল। তবে এই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত এখনও চলছে এবং এ বিষয়ে আদালতে চূড়ান্ত রায় এখনও হয়নি।

জুলাই ২৭, ২০২৬
টুকিটাকি

আমলকী: বর্ষাকালে কতটা উপকারী? সারা বছর কি খাওয়া যায়? এর গুণাগুণ কী?

আমলকী (Indian Gooseberry) আয়ুর্বেদে অমৃত ফল নামে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাতেও দেখা গেছে, এটি ভিটামিন সি, পলিফেনল, ফাইবার ও শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ। তাই বর্ষাকালসহ সারা বছর পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।বর্ষাকালে আমলকী কেন উপকারী?বর্ষাকালে আর্দ্রতা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে সর্দি-কাশি, ভাইরাল সংক্রমণ এবং হজমের সমস্যা তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। এটি সরাসরি রোগ সারায় না, তবে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে খেলে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে, ফলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই সময়ে আমলকী কি কি উপকার হতে পারে? ১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।২. শরীরে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের জোগান দেয়।৩. হজমশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। গ্যাস ও অম্বল কমাতে সহায়ক হতে পারে।৪. মৌসুমি ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।৫. ত্বক ও চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।৬. চুলের গোড়া মজবুত রাখতে সহায়ক। চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়৮. সর্দি-কাশির ঝুঁকি কমাতে সহায়ক৯. কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ফাইবার সাহায্য করে।১০. অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।১১, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। তবে এটি কখনোই ডায়াবেটিসের ওষুধের বিকল্প নয়।১২. লিভারের জন্য উপকারী।সরাসরি অ্যালার্জি প্রতিরোধ করেএমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে আমলকীর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও প্রদাহ-নিয়ন্ত্রণকারী কিছু উপাদান শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সাহায্য় করতে পারে।এটি মৌসুমি সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়ক হতে পারে। যদি কারও আমলকীতেই অ্যালার্জি থাকে, তবে অবশ্যই তা এড়িয়ে চলতে হবে। অর্থাৎ, আমলকী অ্যালার্জির ওষুধ নয় এবং অ্যালার্জি প্রতিরোধের নিশ্চয়তা দেয় না।কীভাবে খাবেন? কাঁচা আমলকী- আমলকীর রস মোরব্বা (চিনি কম থাকলে ভালো) শুকনো আমলকী- চাটনি বা আচার (কম লবণ ও তেলে) আমলকীর গুঁড়ো হালকা গরম পানিতেপ্রতিদিন কতটা খাওয়া যেতে পারে?সাধারণভাবে একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য১২টি মাঝারি আকারের তাজা আমলকী, অথবাপ্রায় ২০৩০ গ্রাম আমলকী। পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই যথেষ্ট।কারা সতর্ক থাকবেন?যাদের রক্ত পাতলা করার ওষুধ চলছে।যাদের বারবার অম্বল বা অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়।কিডনির বিশেষ রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।ডায়াবেটিসের ওষুধ সেবন করলে নিয়মিত রক্তে শর্করা পর্যবেক্ষণ করুন।আমলকী এমন একটি পুষ্টিকর ফল, যা বর্ষাকালসহ সারা বছরই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য় করে, হজম ভালো রাখতে সাহায্য করে, ত্বক ও চুলের যত্নে ভূমিকা রাখে এবং শরীরকে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সুরক্ষা দেয়। তবে এটি কোনও রোগের নিরাময় বা অ্যালার্জি প্রতিরোধের নিশ্চিত উপায় নয়। সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে আমলকী যুক্ত করলে এর উপকারিতা সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

ছাত্র আন্দোলনের পর নতুন রাজনৈতিক ঝড়! অমিত শাহকে কড়া চিঠি রাহুলের, কী লিখলেন?

ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। শনিবার তিনি পদ ছাড়ার পর রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। রবিবার সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা একটি চিঠি প্রকাশ করেন রাহুল গান্ধী। চিঠিতে তিনি বিশে জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রতিবাদকারীদের উপর বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে একাধিক প্রশ্ন করেছেন।রাহুল গান্ধীর দাবি, নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সংসদ অভিযানের সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের উপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়। তাঁর অভিযোগ, কয়েক জন আন্দোলনকারী আহত হন এবং চিকিৎসার নথিতেও আঘাতের উল্লেখ রয়েছে। যদিও দিল্লি পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনার তদন্তও চলছে।চিঠিতে রাহুল গান্ধী অমিত শাহের কাছে দুটি প্রশ্ন তোলেন। প্রথমত, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ছররা ব্যবহারের অনুমতি কে দিয়েছিল? দ্বিতীয়ত, সাধারণ পোশাকে যাঁরা আন্দোলনকারীদের মারধর করছিলেন, তাঁরা কারা এবং তাঁদের দায়িত্ব কে দিয়েছিল? তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব ছিল।এর আগে এক আহত আন্দোলনকারীকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এনে রাহুল দাবি করেছিলেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেই ঘটনার উল্লেখ করেই এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, দেশের স্বার্থ এবং ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ যে কোনও রাজনৈতিক পদের চেয়ে বড়। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশবিরোধী শক্তি ছাত্র আন্দোলনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিল। তবে রাহুল গান্ধী সেই বক্তব্যের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও এই ইস্যুতে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

জুলাই ২৬, ২০২৬
কলকাতা

কার্গিল দিবসে বিস্ফোরক মন্তব্য শমীকের! ‘এই স্লোগান দিলে বাড়ি ফেরা কঠিন’, বাড়ল রাজনৈতিক বিতর্ক

কার্গিল দিবস উপলক্ষে কলকাতায় শহিদ কণাদ ভট্টাচার্যের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে কাশ্মীর ইস্যুতে কড়া মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। রবিবার সকালে বিটি রোড এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশবিরোধী স্লোগান বা কার্যকলাপ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তাঁর বক্তব্য, আইন অনুযায়ী এমন ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।কার্গিল যুদ্ধে শহিদ উত্তর কলকাতার জওয়ান কণাদ ভট্টাচার্যকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শমীক ভট্টাচার্য স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশভাগ এবং কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতকে অস্থির করার চেষ্টা করছে। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তিনি কড়া অবস্থান নেওয়ার পক্ষেও মত প্রকাশ করেন।সম্প্রতি নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে কলকাতায় হওয়া ছাত্র মিছিলের প্রসঙ্গও টানেন বিজেপি সাংসদ। ধর্মতলায় সেই মিছিল চলাকালীন হিংসা এবং সাংবাদিকদের হেনস্তার ঘটনাকে উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দেশবিরোধী স্লোগানও সেখানে শোনা গিয়েছিল। এই ঘটনায় তিনি বামপন্থীদেরও তীব্র সমালোচনা করেন।শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, দেশবিরোধী স্লোগানকে কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। তিনি দাবি করেন, এই ধরনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে পুলিশের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

আন্দোলনে বড় জয়, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও থামছে না ঝড়! এবার সংসদে কী হতে চলেছে?

ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দাবি পূরণ হওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এর পরই ককরোচ জনতা পার্টি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছে। তবে আন্দোলন শেষ হলেও প্রশ্নফাঁসের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক থামেনি। সংসদের আসন্ন অধিবেশনে এই ইস্যুতে কেন্দ্রকে চাপে রাখতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধী শিবির।বিরোধীদের বক্তব্য, শুধু শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফায় বিষয়টির সমাধান হয়নি। তাঁদের দাবি, দেশের ছাত্রছাত্রীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে। পাশাপাশি, বিশে জুলাই সংসদ অভিযানের সময় ছাত্রছাত্রীদের উপর পুলিশি পদক্ষেপের দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিতে হবে বলেও বিরোধীরা দাবি তুলেছে।সোমবার প্রশ্নফাঁস রোধে কঠোর শাস্তির বিধান থাকা নতুন বিল সংসদে পেশ হওয়ার কথা রয়েছে। সেই বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিরোধীরা নিজেদের দাবিতে সরব হবে বলে জানা গিয়েছে।এই ইস্যুতে সংসদে যৌথ কৌশল ঠিক করতে সোমবার সকালে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতাদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে সংসদের দুই কক্ষে বিরোধীদের অবস্থান ও কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে, বিজেপি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আগের সরকার এবং বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলির বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রশ্নফাঁস রোধে আনা নতুন বিলের আলোচনায় সেই বিষয়গুলিও তুলে ধরতে পারে শাসক দল।এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর এবার রাম মন্দিরে চুরির ঘটনাকেও সংসদে বড় রাজনৈতিক ইস্যু করতে চাইছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল। এই বিষয় নিয়ে সংসদের দুই কক্ষে মুলতবি প্রস্তাব আনার প্রস্তুতিও চলছে বলে রাজনৈতিক সূত্রে খবর।

জুলাই ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal